সোমবার, ২২ Jul ২০২৪, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
চট্টগ্রামস্থ ছাগলনাইয়া সমিতির আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল বিশেষ অভিযানে ৬ গ্যাংয়ের ৩৩ জন আটক, দেশী অস্ত্র উদ্ধার ভালো আছেন খালেদা জিয়া ঈদকে ঘিরে জাল নোট গছিয়ে দিত ওরা কুতুব‌দিয়ায় নতুন জামা পেল ১৩৫ এতিম ছাত্র-ছাত্রী মানিকছড়িতে গণ ইফতার মাহফিল সীতাকুণ্ডে লরি চাপায় পথচারী যুবক নিহত সীতাকুণ্ডে পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু রামগড়ে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে বিজিবির পুরস্কার ও সনদ বিতরন লাইসেন্স বিহীন ফিলিং স্টেশন স্থাপন করে কার্ভাড ভ্যানে চলছে অবৈধ গ্যাস বিক্রি কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক বিশেষ ক্যাম্পেইন জিম্মি নাবিকদের উদ্ধারে জাহাজের মালিকপক্ষের নতুন ঘোষণা
জমি অধিগ্রহণ করলে মূল্যের তিনগুণ টাকা দেবো: প্রধানমন্ত্রী

জমি অধিগ্রহণ করলে মূল্যের তিনগুণ টাকা দেবো: প্রধানমন্ত্রী

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,  ‘যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হবে তাদের বর্তমান মূল্যের তিনগুণ টাকা দেবো। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে তাদের পুনর্বাসন করা হবে।’ বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে নোয়াখালী এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্টানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই প্রকল্প উদ্বোধনের ফলে এলাকার কৃষি উৎপাদন বাড়বে, মাছের উৎপাদন বাড়বে। লবণাক্ততার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে এখানকার মানুষ রক্ষা পাবে। দেশে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসবে। সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে নোয়াখালীর মানুষ।’ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে এলাকাবাসীসহ সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ৩২৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নোয়াখালী খাল সংস্কার ও পুনঃখনন প্রকল্পের বাস্তবায়ন করা হবে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যৌথভাবে এই প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করবে। কবিরহাট উপজেলার ধান শালিক এলাকা থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে। প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২১ সালের জুন মাসে।

এই প্রকল্পে নোয়াখালী খাল পুনঃখনন এবং জেলার ২৩টি খালের পুনঃখননসহ ১৬০ বর্গ কিলোমিটার এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যে রয়েছে জেলার বেগমগঞ্জ, কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট ও সদর উপজেলার খালসমূহ। এছাড়াও প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ১৮২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন, বামনি নদীতে ড্রেজিংসহ দুটি স্লুইসগেট নির্মাণ, লবণাক্ত পানি প্রবেশরোধে বামনী ১৯-ভোল্ট রেগুলেটর নির্মাণ, বামনি নদীর ওপর ক্লোজার নির্মাণ, সন্দ্বীপ চ্যানেল, মুছাপুর, গুচ্ছ গ্রাম, চর কচ্চপিয়া, চর ল্যাংটা ও চর এলাহী এলাকার ১০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ, সাড়ে ১১ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ ও ১ হাজার ১৫২ মিটার লুপ কাট খনন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর প্রকল্পটি একনেকের সভায় অনুমোদিত হয়।

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT